The Teacher of teachers,

1:22 PM Edit This 0 Comments »
We once had a Teacher
The Teacher of teachers,
He changed the world for the better
And made us better creatures,
Oh Allah we've shamed ourselves
We've strayed from Al-Mu'allim,
Surely we've wronged ourselves
What will we say in front him?
Oh Mu'allim...
Chorus
He was Muhammad salla Allahu 'alayhi wa sallam,
Muhammad, mercy upon Mankind,
He was Muhammad salla Allahu 'alayhi wa sallam,
Muhammad, mercy upon Mankind,
Teacher of all Mankind.
Abal Qasim [one of the names of the Prophet]
Ya Habibi ya Muhammad
(My beloved O Muhammad)
Ya Shafi'i ya Muhammad
(My intercessor O Muhammad)
Khayru khalqillahi Muhammad
(The best of Allah's creation is Muhammad)
Ya Mustafa ya Imamal Mursalina
(O Chosen One, O Imam of the Messengers)
Ya Mustafa ya Shafi'al 'Alamina
(O Chosen One, O intercessor of the worlds)
He prayed while others slept
While others ate he'd fast,
While they would laugh he wept
Until he breathed his last,
His only wish was for us to be
Among the ones who prosper,
Ya Mu'allim peace be upon you,
Truly you are our Teacher,
Oh Mu'allim..
Chorus
Ya Habibi ya Muhammad
(My beloved O Muhammad)
Ya Shafi'i ya Muhammad
(My intercessor O Muhammad)
Ya Rasuli ya Muhammad
(O My Messenger O Muhammad)
Ya Bashiri ya Muhammad
(O bearer of good news O Muhammad)
Ya Nadhiri ya Muhammad
(O warner O Muhammad)
'Ishqu Qalbi ya Muhammad
(The love of my heart O Muhammad)
Nuru 'Ayni ya Muhammad
(Light of my eye O Muhammad)
He taught us to be just and kind
And to feed the poor and hungry,
Help the wayfarer and the orphan child
And to not be cruel and miserly,
His speech was soft and gentle,
Like a mother stroking her child,
His mercy and compassion,
Were most radiant when he smiled
Chorus
Abal Qasim [one of the names of the Prophet]
Ya Habibi ya Muhammad
(My beloved O Muhammad)
Ya Shafi'i ya Muhammad
(My intercessor O Muhammad)
Khayru khalqillahi Muhammad
(The best of Allah's creation is Muhammad)
Ya Mustafa Ya Imamal Mursalina
(O Chosen One O Imam of the Messengers)
Ya Mustafa ya Shafi'al 'Alamina
(O Chosen One O intercessor of the worlds)

জানার আছে অনেক কিছু

1:31 PM Edit This 0 Comments »

প্রভুর কি অপরুপ সৃষ্টি
যতো দেখি মন ভরে না!!!!
শুধু বলি
সুবাহানাআল্লাহ

What is Shab-e-Qadr?

11:24 AM Edit This 0 Comments »

What is Shab-e-Qadr?

Shab-e-Qadr means 'the night of power' or 'the night of respect'; the most blessed of all the nights of the year according to Islam. In the Koran and Hadith it is referred to as Lailatu'l-Qadr. In this night, five verses of Al-Alaq, the first surah (chapter) of the Quran was revealed. About Shab-e-Qadr the Quran says: it is the night in which the Quran was revealed; it is better than a thousand months; during this night the angles including Jibra'il descended with the permission of their Lord......

When is it observed? What is the significance of Shab-e-Qadr?

When is it observed?
The precise date of Shab-e-Qadr is unknown except that, according to Quran, it falls in Ramzan. According to the prophetic tradition it is an odd-numbered night among the last seven or 10 days of the month, that is, the 21st, 23rd, or 25th, or any of the 25th, 27th or 29th night of Ramzan. However, Muslim scholars believe that Shab-e-Qadr is the 27th night of Ramzan. This night is a great mercy of Allah to the Muslims, for by praying in this single night they can get the reward of prayer done in more than thousand months.

What is the significance of Shab-e-Qadr?
It is believed that if a believer prays throughout this night all his past sins are forgiven. At the time of Isha' prayer, people assemble at mosques, with many staying till midnight to pray. Women pray at home.

অপচয় ও অযথা খরচ থেকে বিরত থাকুন

11:23 AM Edit This 0 Comments »
অপচয় ও অযথা খরচ থেকে বিরত থাকুন :

অপচয় তা যে কোন বিষয়েই হোক ইসলামি শরিয়তে নিষিদ্ধ। পবিত্র মাসে যখন আমাদের বেশি করে সৎকাজ করা উচিত তখন আমরা খাওয়া-দাওয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে কোন ধরনের অপচয় করে যেন পাপ অর্জন না করি। রমজান মাসে দেখা যায় অনেকে খেতে পারব মনে করে অনেক কিছু আয়োজন করে। অবশেষে খেতে না পেরে তা নষ্ট করে ফেলে। এটা সত্যিই অন্যায়।

 রুটিন করে সময়টাকে কাজে লাগান :

রমজানের সময়টা অন্য সময়ের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু সংক্ষিপ্ত মনে হয়। তাই আপনি রুটিন করে সময়টাকে কি কি কাজে ব্যয় করবেন তা যদি ঠিক করে না নেন তাহলে দেখবেন অনেক কাজই অসমাপ্ত রয়ে গেছে। অনর্থক কথা-বার্তা, আড্ডা বাজি, গল্পগুজব, নিষ্ফল বিতর্ক ইত্যাদি পরিহার করুন। কোন কথা বা কাজ করার আগে ভেবে দেখুন কথা বা কাজটা আপনার জন্য কতটুকু কল্যাণ বয়ে আনবে। আমার পাশে বসে অন্য লোক একটি বিষয় আলোচনা করছে তাই আমাকে অংশ নিতেই হয়-তাই একটু বললাম এমন যেন না হয়। অযথা কথা ও কাজ পরিহার করা সিয়ামের একটি শিক্ষা ও দাবি।

বেশি করে ভাল ও কল্যাণ মূলক কাজ করা এবং কোরআন পাঠ করা।

11:11 AM Edit This 0 Comments »
বেশি করে ভাল ও কল্যাণ মূলক কাজ করা এবং কোরআন পাঠ করা।

রমজান হল কোরআন নাজিলের মাস। কোরআন নাজিলের কারণে রমজান মাসের এত মর্যাদা। এ মাসে অবশ্যই অন্য সকল সময়ের চেয়ে বেশি করে কোরআন তিলাওয়াত করা উচিত। হাদিসে এসেছে -

عن عبد الله بن عمرو أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: (الصيام والقرآن يشفعان للعبد يوم القيامة، يقول الصيام أي رب: منعته الطعام والشهوات بالنهار، فشفعني فيه. ويقول القرآن : منعته النوم بالليل، فشفعني فيه. قال فيشفعان. رواه أحمد.

আব্দুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণিত যে, নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামবলেছেন : সিয়াম ও কোরআন কেয়ামতের দিন মানুষের জন্য এভাবে সুপারিশ করবে যে, সিয়াম বলবে হে প্রতিপালক ! আমি দিনের বেলা তাকে পানাহার ও যৌনতা থেকে বিরত রেখেছি। তাই তার ব্যাপারে তুমি আমার সুপারিশ কবুল কর। কোরআন বলবে হে প্রতিপালক ! আমি তাকে রাতে নিদ্রা থেকে বিরত রেখেছি তাই তার ব্যাপারে তুমি আমার সুপারিশ কবুল কর। তিনি বলেন, অতপর উভয়ের সুপারিশই কবুল করা হবে। বর্ণনায় : আহমদ

ইবাদত-বন্দেগিতে তওফিক দানের ব্যাপারে আল্লাহর অনুগ্রহ অনুধাবন করা :—

একটু চিন্তা করে দেখা যেতে পারে যে, কত মানুষ রয়েছে যাদেরকে আল্লাহর তার ইবাদত-বন্দেগি করতে সামর্থ্য দেননি কিন্তু আমাকে দিয়েছেন। এটা আমার প্রতি তাঁর এক মহা-অনুগ্রহ। এরপর তিনি যদি আমার এ ভাল কাজগুলো কবুল করে আমাকে প্রতিদান দেন তাহলে এটা হবে তাঁর পক্ষ থেকে আরেকটি অনুগ্রহ। কত মানুষ ভাল কাজ করে কিন্তু সকলের ভাল কাজতো কবুল করা হয় না।

إِنَّمَا يَتَقَبَّلُ اللَّهُ مِنَ الْمُتَّقِينَ (المائدة : 27)

আল্লাহ মুত্তাকীদের কাজ কবুল করেন।

এ ধরনের অনুভূতি থাকলে নেক-আমল করে আত্ম-তৃপ্তি ও অহংকার নামক ব্যাধি থেকে মুক্ত থাকা যায়। কেননা অহংকার ও আত্ম-তৃপ্তি ভাল কাজের প্রতিদান নষ্ট করে দেয়। তখন ভাল কাজগুলো মরীচিকার মত হয়ে যায়।

বেশি করে ভাল ও কল্যাণ মূলক কাজ করা এবং কোরআন পাঠ করা।

11:11 AM Edit This 0 Comments »
বেশি করে ভাল ও কল্যাণ মূলক কাজ করা এবং কোরআন পাঠ করা।

রমজান হল কোরআন নাজিলের মাস। কোরআন নাজিলের কারণে রমজান মাসের এত মর্যাদা। এ মাসে অবশ্যই অন্য সকল সময়ের চেয়ে বেশি করে কোরআন তিলাওয়াত করা উচিত। হাদিসে এসেছে -

عن عبد الله بن عمرو أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: (الصيام والقرآن يشفعان للعبد يوم القيامة، يقول الصيام أي رب: منعته الطعام والشهوات بالنهار، فشفعني فيه. ويقول القرآن : منعته النوم بالليل، فشفعني فيه. قال فيشفعان. رواه أحمد.

আব্দুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণিত যে, নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামবলেছেন : সিয়াম ও কোরআন কেয়ামতের দিন মানুষের জন্য এভাবে সুপারিশ করবে যে, সিয়াম বলবে হে প্রতিপালক ! আমি দিনের বেলা তাকে পানাহার ও যৌনতা থেকে বিরত রেখেছি। তাই তার ব্যাপারে তুমি আমার সুপারিশ কবুল কর। কোরআন বলবে হে প্রতিপালক ! আমি তাকে রাতে নিদ্রা থেকে বিরত রেখেছি তাই তার ব্যাপারে তুমি আমার সুপারিশ কবুল কর। তিনি বলেন, অতপর উভয়ের সুপারিশই কবুল করা হবে। বর্ণনায় : আহমদ

ইবাদত-বন্দেগিতে তওফিক দানের ব্যাপারে আল্লাহর অনুগ্রহ অনুধাবন করা :—

একটু চিন্তা করে দেখা যেতে পারে যে, কত মানুষ রয়েছে যাদেরকে আল্লাহর তার ইবাদত-বন্দেগি করতে সামর্থ্য দেননি কিন্তু আমাকে দিয়েছেন। এটা আমার প্রতি তাঁর এক মহা-অনুগ্রহ। এরপর তিনি যদি আমার এ ভাল কাজগুলো কবুল করে আমাকে প্রতিদান দেন তাহলে এটা হবে তাঁর পক্ষ থেকে আরেকটি অনুগ্রহ। কত মানুষ ভাল কাজ করে কিন্তু সকলের ভাল কাজতো কবুল করা হয় না।

إِنَّمَا يَتَقَبَّلُ اللَّهُ مِنَ الْمُتَّقِينَ (المائدة : 27)

আল্লাহ মুত্তাকীদের কাজ কবুল করেন।

এ ধরনের অনুভূতি থাকলে নেক-আমল করে আত্ম-তৃপ্তি ও অহংকার নামক ব্যাধি থেকে মুক্ত থাকা যায়। কেননা অহংকার ও আত্ম-তৃপ্তি ভাল কাজের প্রতিদান নষ্ট করে দেয়। তখন ভাল কাজগুলো মরীচিকার মত হয়ে যায়।

ভয় ও আশা পোষণ করা :

6:15 AM Edit This 0 Comments »


যা কিছু সিয়াম ভঙ্গের সহায়ক তা পরিহার করে চলা :

সিয়াম পালনকারীর এ ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে যে, যে সকল আচার-আচরণ সিয়াম ভঙ্গ করার কারণ হয় অথবা সিয়াম নষ্ট করার সহায়ক হয় এমন সকল বিষয় থেকে দুরত্ব বজায় রাখা। বিশেষত: স্বামী-স্ত্রীর আলিঙ্গন, চুম্বন বা এক কাঁথা কম্বলের নীচে শয়ন করা ইত্যাদি পরিহার করা উচিত। এ সকল কাজ যদিও সিয়াম অবস্থায় করার অনুমতি আছে কিন্তু দেখা গেছে এ সকল কাজ করতে যেয়ে অনেকে সমস্যায় পড়ে গেছে ফলে সিয়াম ভঙ্গ হয়ে গেছে। প্রত্যেক বিষয়ের একটি সীমানা আছে, এ সীমা যাতে অতিক্রম না হয়ে যায় এ লক্ষ্যে সতর্কতা অবলম্বনের জন্য হাদিসে নির্দেশ এসেছে। যদিও সীমানা পর্যন্ত যাওয়া বৈধ কিন্তু সাবধানতা অবলম্বন বিধেয়। মনে রাখতে হবে রমজানের দিনের বেলা সিয়াম ভেঙে ফেলা একটি কবিরা গুনাহ। আমি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি বা এমনটি হবে বুঝতে পারিনি বলে কবিরা গুনাহ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না। এ ধরনের কথা কখনো অজুহাত হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না।

ভয় ও আশা পোষণ করা :


প্রত্যেক মুসলিম ব্যক্তির কর্তব্য হল সকল ইবাদত ও সিয়াম-সালাত সঠিক পদ্ধতিতে আদায় করা। কিন্তু সে জানে না তার এ সালাত ও সিয়াম আল্লাহ কবুল করেছেন না প্রত্যাখ্যান করেছেন। অতএব তার সর্বদা এ ভয় থাকা উচিত যে, হয়তো আমি আমার ইবাদত-বন্দেগি এমনভাবে আদায় করতে পারিনি যেভাবে আদায় করলে আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হয়। ফলে আল্লাহর কাছ থেকে প্রতিদান হয়তো পাব না। আবার এ আশাও পোষণ করা উচিত যে, আল্লাহ তাআলা নিজ অনুগ্রহে আমার ত্রুটিগুলো ক্ষমা করে আমার ইবাদত-বন্দেগি কবুল করে আমাকে প্রতিদান দেবেন। এ অবস্থার নাম হল আল-খাওফ ওয়ার রজা অর্থাৎ ভয় ও আশা। এটা ইসলামের একটা গুরুত্বপূর্ণ আকীদাগত পরিভাষা। মনে রাখতে হবে আল্লাহ তাআলা সকলের নেক আমল কবুল করেন না। যেমন তিনি বলেন :—

إِنَّمَا يَتَقَبَّلُ اللَّهُ مِنَ الْمُتَّقِينَ. (المائدة : 27)

অবশ্যই আল্লাহ মুত্তাকীদের কাজ কবুল করেন । সূরা মায়েদাহ : ২৭

হাদিসে এসেছে আয়েশা রা. এ আয়াতের অর্থ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ স.-কে জিজ্ঞেস করলেন :—

(والذين يؤتون ما آتوا وقلوبهم وجلة) أي خائفة. أهم الذين يشربون الخمر ويسرقون ؟ قال : لا يا بنت الصديق، ولكنهم الذين يصومون، ويصلون ويتصدقون وهم يخافون أن لا تقبل منهم. أولئك يسارعون في الخيرات وهم لها سابقون. رواه الترمذي

যারা তাদের যা দান করার তা দান করে ভীত-কম্পিত হৃদয়ে-আল্লাহ এ কথা কাদের জন্য বলেছেন, যারা মদ্য পান করে, চুরি করে তাদের জন্য ? তিনি উত্তরে বললেন : না, হে সত্যবাদীর কন্যা ! তারা হল, যারা সিয়াম পালন করে, সালাত আদায় করে, দান-সদকা করে সাথে সাথে এ ভয় রাখে যে হয়তো আমার এ আমলগুলো আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। তারাই দ্রুত সম্পাদন করে কল্যাণকর কাজ এবং তারা তাতে অগ্রগামী। বর্ণনায় : তিরমিজি

বর্ণিত আয়াত ও হাদিস দ্বারা স্পষ্ট হল যে, আল্লাহ ঐ সকল মুনিমদের প্রশংসা করেছেন যারা নেক আমল করে কবুল হবে কি হবে না এরকম একটা ভয় পোষণ করে। এবং কাজ আরো সুন্দর করার চেষ্টা করে। কিন্তু এ ভয় যেন আবার মানুষকে নৈরাশ্যবাদী না করে। কোন অবস্থাতেই কোন মুসলিম আল্লাহর অনুগ্রহ ও রহমত থেকে নিরাশ হতে পারে না। আল্লাহর সম্পর্কে নৈরাশ্যবাদী হওয়া একটা কুফরি। নেক আমল কবুল হওয়ার ব্যাপারে প্রবল আশাবাদী হতে হবে কিন্তু এ আশাবাদী মনোভাব যেন অহংকার ও আত্ম-তৃপ্তিতে ফেলে না দেয় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। অহংকার ও আত্ম-তৃপ্তি নেক আমলকে বাতিল করে দেয়। অনেক সময় অলসতা নিয়ে আসে। অপরদিকে ভয় মানুষকে তৎপর ও কর্মঠ হতে সাহায্য করে। তাই সকলের উচিত সকল প্রকার নেক আমল করতে হবে ভয় ও আশা নিয়ে। শুধুই ভয় অথবা শুধুই পাওয়ার আশায় নয়।