What is Shab-e-Qadr?

11:24 AM Edit This 0 Comments »

What is Shab-e-Qadr?

Shab-e-Qadr means 'the night of power' or 'the night of respect'; the most blessed of all the nights of the year according to Islam. In the Koran and Hadith it is referred to as Lailatu'l-Qadr. In this night, five verses of Al-Alaq, the first surah (chapter) of the Quran was revealed. About Shab-e-Qadr the Quran says: it is the night in which the Quran was revealed; it is better than a thousand months; during this night the angles including Jibra'il descended with the permission of their Lord......

When is it observed? What is the significance of Shab-e-Qadr?

When is it observed?
The precise date of Shab-e-Qadr is unknown except that, according to Quran, it falls in Ramzan. According to the prophetic tradition it is an odd-numbered night among the last seven or 10 days of the month, that is, the 21st, 23rd, or 25th, or any of the 25th, 27th or 29th night of Ramzan. However, Muslim scholars believe that Shab-e-Qadr is the 27th night of Ramzan. This night is a great mercy of Allah to the Muslims, for by praying in this single night they can get the reward of prayer done in more than thousand months.

What is the significance of Shab-e-Qadr?
It is believed that if a believer prays throughout this night all his past sins are forgiven. At the time of Isha' prayer, people assemble at mosques, with many staying till midnight to pray. Women pray at home.

অপচয় ও অযথা খরচ থেকে বিরত থাকুন

11:23 AM Edit This 0 Comments »
অপচয় ও অযথা খরচ থেকে বিরত থাকুন :

অপচয় তা যে কোন বিষয়েই হোক ইসলামি শরিয়তে নিষিদ্ধ। পবিত্র মাসে যখন আমাদের বেশি করে সৎকাজ করা উচিত তখন আমরা খাওয়া-দাওয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে কোন ধরনের অপচয় করে যেন পাপ অর্জন না করি। রমজান মাসে দেখা যায় অনেকে খেতে পারব মনে করে অনেক কিছু আয়োজন করে। অবশেষে খেতে না পেরে তা নষ্ট করে ফেলে। এটা সত্যিই অন্যায়।

 রুটিন করে সময়টাকে কাজে লাগান :

রমজানের সময়টা অন্য সময়ের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু সংক্ষিপ্ত মনে হয়। তাই আপনি রুটিন করে সময়টাকে কি কি কাজে ব্যয় করবেন তা যদি ঠিক করে না নেন তাহলে দেখবেন অনেক কাজই অসমাপ্ত রয়ে গেছে। অনর্থক কথা-বার্তা, আড্ডা বাজি, গল্পগুজব, নিষ্ফল বিতর্ক ইত্যাদি পরিহার করুন। কোন কথা বা কাজ করার আগে ভেবে দেখুন কথা বা কাজটা আপনার জন্য কতটুকু কল্যাণ বয়ে আনবে। আমার পাশে বসে অন্য লোক একটি বিষয় আলোচনা করছে তাই আমাকে অংশ নিতেই হয়-তাই একটু বললাম এমন যেন না হয়। অযথা কথা ও কাজ পরিহার করা সিয়ামের একটি শিক্ষা ও দাবি।

বেশি করে ভাল ও কল্যাণ মূলক কাজ করা এবং কোরআন পাঠ করা।

11:11 AM Edit This 0 Comments »
বেশি করে ভাল ও কল্যাণ মূলক কাজ করা এবং কোরআন পাঠ করা।

রমজান হল কোরআন নাজিলের মাস। কোরআন নাজিলের কারণে রমজান মাসের এত মর্যাদা। এ মাসে অবশ্যই অন্য সকল সময়ের চেয়ে বেশি করে কোরআন তিলাওয়াত করা উচিত। হাদিসে এসেছে -

عن عبد الله بن عمرو أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: (الصيام والقرآن يشفعان للعبد يوم القيامة، يقول الصيام أي رب: منعته الطعام والشهوات بالنهار، فشفعني فيه. ويقول القرآن : منعته النوم بالليل، فشفعني فيه. قال فيشفعان. رواه أحمد.

আব্দুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণিত যে, নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামবলেছেন : সিয়াম ও কোরআন কেয়ামতের দিন মানুষের জন্য এভাবে সুপারিশ করবে যে, সিয়াম বলবে হে প্রতিপালক ! আমি দিনের বেলা তাকে পানাহার ও যৌনতা থেকে বিরত রেখেছি। তাই তার ব্যাপারে তুমি আমার সুপারিশ কবুল কর। কোরআন বলবে হে প্রতিপালক ! আমি তাকে রাতে নিদ্রা থেকে বিরত রেখেছি তাই তার ব্যাপারে তুমি আমার সুপারিশ কবুল কর। তিনি বলেন, অতপর উভয়ের সুপারিশই কবুল করা হবে। বর্ণনায় : আহমদ

ইবাদত-বন্দেগিতে তওফিক দানের ব্যাপারে আল্লাহর অনুগ্রহ অনুধাবন করা :—

একটু চিন্তা করে দেখা যেতে পারে যে, কত মানুষ রয়েছে যাদেরকে আল্লাহর তার ইবাদত-বন্দেগি করতে সামর্থ্য দেননি কিন্তু আমাকে দিয়েছেন। এটা আমার প্রতি তাঁর এক মহা-অনুগ্রহ। এরপর তিনি যদি আমার এ ভাল কাজগুলো কবুল করে আমাকে প্রতিদান দেন তাহলে এটা হবে তাঁর পক্ষ থেকে আরেকটি অনুগ্রহ। কত মানুষ ভাল কাজ করে কিন্তু সকলের ভাল কাজতো কবুল করা হয় না।

إِنَّمَا يَتَقَبَّلُ اللَّهُ مِنَ الْمُتَّقِينَ (المائدة : 27)

আল্লাহ মুত্তাকীদের কাজ কবুল করেন।

এ ধরনের অনুভূতি থাকলে নেক-আমল করে আত্ম-তৃপ্তি ও অহংকার নামক ব্যাধি থেকে মুক্ত থাকা যায়। কেননা অহংকার ও আত্ম-তৃপ্তি ভাল কাজের প্রতিদান নষ্ট করে দেয়। তখন ভাল কাজগুলো মরীচিকার মত হয়ে যায়।

বেশি করে ভাল ও কল্যাণ মূলক কাজ করা এবং কোরআন পাঠ করা।

11:11 AM Edit This 0 Comments »
বেশি করে ভাল ও কল্যাণ মূলক কাজ করা এবং কোরআন পাঠ করা।

রমজান হল কোরআন নাজিলের মাস। কোরআন নাজিলের কারণে রমজান মাসের এত মর্যাদা। এ মাসে অবশ্যই অন্য সকল সময়ের চেয়ে বেশি করে কোরআন তিলাওয়াত করা উচিত। হাদিসে এসেছে -

عن عبد الله بن عمرو أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: (الصيام والقرآن يشفعان للعبد يوم القيامة، يقول الصيام أي رب: منعته الطعام والشهوات بالنهار، فشفعني فيه. ويقول القرآن : منعته النوم بالليل، فشفعني فيه. قال فيشفعان. رواه أحمد.

আব্দুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণিত যে, নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামবলেছেন : সিয়াম ও কোরআন কেয়ামতের দিন মানুষের জন্য এভাবে সুপারিশ করবে যে, সিয়াম বলবে হে প্রতিপালক ! আমি দিনের বেলা তাকে পানাহার ও যৌনতা থেকে বিরত রেখেছি। তাই তার ব্যাপারে তুমি আমার সুপারিশ কবুল কর। কোরআন বলবে হে প্রতিপালক ! আমি তাকে রাতে নিদ্রা থেকে বিরত রেখেছি তাই তার ব্যাপারে তুমি আমার সুপারিশ কবুল কর। তিনি বলেন, অতপর উভয়ের সুপারিশই কবুল করা হবে। বর্ণনায় : আহমদ

ইবাদত-বন্দেগিতে তওফিক দানের ব্যাপারে আল্লাহর অনুগ্রহ অনুধাবন করা :—

একটু চিন্তা করে দেখা যেতে পারে যে, কত মানুষ রয়েছে যাদেরকে আল্লাহর তার ইবাদত-বন্দেগি করতে সামর্থ্য দেননি কিন্তু আমাকে দিয়েছেন। এটা আমার প্রতি তাঁর এক মহা-অনুগ্রহ। এরপর তিনি যদি আমার এ ভাল কাজগুলো কবুল করে আমাকে প্রতিদান দেন তাহলে এটা হবে তাঁর পক্ষ থেকে আরেকটি অনুগ্রহ। কত মানুষ ভাল কাজ করে কিন্তু সকলের ভাল কাজতো কবুল করা হয় না।

إِنَّمَا يَتَقَبَّلُ اللَّهُ مِنَ الْمُتَّقِينَ (المائدة : 27)

আল্লাহ মুত্তাকীদের কাজ কবুল করেন।

এ ধরনের অনুভূতি থাকলে নেক-আমল করে আত্ম-তৃপ্তি ও অহংকার নামক ব্যাধি থেকে মুক্ত থাকা যায়। কেননা অহংকার ও আত্ম-তৃপ্তি ভাল কাজের প্রতিদান নষ্ট করে দেয়। তখন ভাল কাজগুলো মরীচিকার মত হয়ে যায়।

ভয় ও আশা পোষণ করা :

6:15 AM Edit This 0 Comments »


যা কিছু সিয়াম ভঙ্গের সহায়ক তা পরিহার করে চলা :

সিয়াম পালনকারীর এ ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে যে, যে সকল আচার-আচরণ সিয়াম ভঙ্গ করার কারণ হয় অথবা সিয়াম নষ্ট করার সহায়ক হয় এমন সকল বিষয় থেকে দুরত্ব বজায় রাখা। বিশেষত: স্বামী-স্ত্রীর আলিঙ্গন, চুম্বন বা এক কাঁথা কম্বলের নীচে শয়ন করা ইত্যাদি পরিহার করা উচিত। এ সকল কাজ যদিও সিয়াম অবস্থায় করার অনুমতি আছে কিন্তু দেখা গেছে এ সকল কাজ করতে যেয়ে অনেকে সমস্যায় পড়ে গেছে ফলে সিয়াম ভঙ্গ হয়ে গেছে। প্রত্যেক বিষয়ের একটি সীমানা আছে, এ সীমা যাতে অতিক্রম না হয়ে যায় এ লক্ষ্যে সতর্কতা অবলম্বনের জন্য হাদিসে নির্দেশ এসেছে। যদিও সীমানা পর্যন্ত যাওয়া বৈধ কিন্তু সাবধানতা অবলম্বন বিধেয়। মনে রাখতে হবে রমজানের দিনের বেলা সিয়াম ভেঙে ফেলা একটি কবিরা গুনাহ। আমি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি বা এমনটি হবে বুঝতে পারিনি বলে কবিরা গুনাহ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না। এ ধরনের কথা কখনো অজুহাত হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না।

ভয় ও আশা পোষণ করা :


প্রত্যেক মুসলিম ব্যক্তির কর্তব্য হল সকল ইবাদত ও সিয়াম-সালাত সঠিক পদ্ধতিতে আদায় করা। কিন্তু সে জানে না তার এ সালাত ও সিয়াম আল্লাহ কবুল করেছেন না প্রত্যাখ্যান করেছেন। অতএব তার সর্বদা এ ভয় থাকা উচিত যে, হয়তো আমি আমার ইবাদত-বন্দেগি এমনভাবে আদায় করতে পারিনি যেভাবে আদায় করলে আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হয়। ফলে আল্লাহর কাছ থেকে প্রতিদান হয়তো পাব না। আবার এ আশাও পোষণ করা উচিত যে, আল্লাহ তাআলা নিজ অনুগ্রহে আমার ত্রুটিগুলো ক্ষমা করে আমার ইবাদত-বন্দেগি কবুল করে আমাকে প্রতিদান দেবেন। এ অবস্থার নাম হল আল-খাওফ ওয়ার রজা অর্থাৎ ভয় ও আশা। এটা ইসলামের একটা গুরুত্বপূর্ণ আকীদাগত পরিভাষা। মনে রাখতে হবে আল্লাহ তাআলা সকলের নেক আমল কবুল করেন না। যেমন তিনি বলেন :—

إِنَّمَا يَتَقَبَّلُ اللَّهُ مِنَ الْمُتَّقِينَ. (المائدة : 27)

অবশ্যই আল্লাহ মুত্তাকীদের কাজ কবুল করেন । সূরা মায়েদাহ : ২৭

হাদিসে এসেছে আয়েশা রা. এ আয়াতের অর্থ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ স.-কে জিজ্ঞেস করলেন :—

(والذين يؤتون ما آتوا وقلوبهم وجلة) أي خائفة. أهم الذين يشربون الخمر ويسرقون ؟ قال : لا يا بنت الصديق، ولكنهم الذين يصومون، ويصلون ويتصدقون وهم يخافون أن لا تقبل منهم. أولئك يسارعون في الخيرات وهم لها سابقون. رواه الترمذي

যারা তাদের যা দান করার তা দান করে ভীত-কম্পিত হৃদয়ে-আল্লাহ এ কথা কাদের জন্য বলেছেন, যারা মদ্য পান করে, চুরি করে তাদের জন্য ? তিনি উত্তরে বললেন : না, হে সত্যবাদীর কন্যা ! তারা হল, যারা সিয়াম পালন করে, সালাত আদায় করে, দান-সদকা করে সাথে সাথে এ ভয় রাখে যে হয়তো আমার এ আমলগুলো আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। তারাই দ্রুত সম্পাদন করে কল্যাণকর কাজ এবং তারা তাতে অগ্রগামী। বর্ণনায় : তিরমিজি

বর্ণিত আয়াত ও হাদিস দ্বারা স্পষ্ট হল যে, আল্লাহ ঐ সকল মুনিমদের প্রশংসা করেছেন যারা নেক আমল করে কবুল হবে কি হবে না এরকম একটা ভয় পোষণ করে। এবং কাজ আরো সুন্দর করার চেষ্টা করে। কিন্তু এ ভয় যেন আবার মানুষকে নৈরাশ্যবাদী না করে। কোন অবস্থাতেই কোন মুসলিম আল্লাহর অনুগ্রহ ও রহমত থেকে নিরাশ হতে পারে না। আল্লাহর সম্পর্কে নৈরাশ্যবাদী হওয়া একটা কুফরি। নেক আমল কবুল হওয়ার ব্যাপারে প্রবল আশাবাদী হতে হবে কিন্তু এ আশাবাদী মনোভাব যেন অহংকার ও আত্ম-তৃপ্তিতে ফেলে না দেয় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। অহংকার ও আত্ম-তৃপ্তি নেক আমলকে বাতিল করে দেয়। অনেক সময় অলসতা নিয়ে আসে। অপরদিকে ভয় মানুষকে তৎপর ও কর্মঠ হতে সাহায্য করে। তাই সকলের উচিত সকল প্রকার নেক আমল করতে হবে ভয় ও আশা নিয়ে। শুধুই ভয় অথবা শুধুই পাওয়ার আশায় নয়।

দেরি করে সেহরি খাওয়া

4:56 AM Edit This 0 Comments »

সেহরি খাওয়া :

সিয়াম পালনের জন্য সেহরি খাওয়া সুন্নত।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামবলেছেন :—

تسحروا، فإن في السحور بركة. (رواه البخاري ومسلم)

তোমরা সেহরি খাও, কারণ সেহরিতে বরকত রয়েছে। বর্ণনায় : বোখারি ও মুসলিম

সেহরি না খেয়ে সিয়াম পালন করলে যখন সিয়াম আদায় হবে। তবে সেহরি খাবেন কেন ?

(ক) সেহরি খাওয়া সুন্নত। রাসূলে করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামসেহরি খাওয়ার জন্য উৎসাহিত করেছেন।

(খ) ক্ষুধা-পিপাসা মোকাবিলা করার জন্য।

(গ) সেহরি খেলে সিয়াম পালনে কষ্ট কম হয় ও সিয়াম পালন সহজ হয়।

(ঘ) ইহুদি ও খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধাচরণ করা। কারণ তারা সিয়াম পালন করতে সেহরি খায় না। যেমন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামবলেছেন :—

فصل ما بين صيامنا وصيام أهل الكتاب أكلة السحور. (رواه مسلم)

আমাদের ও ইহুদি-খ্রিস্টানদের সিয়ামের মাঝে পার্থক্য হল সেহরি খাওয়া। বর্ণনায় : মুসলিম

(ঙ) সেহরির মাধ্যমে শেষ রাতে তাহাজ্জুদ ও কিয়ামুল লাইল করার সুযোগ সৃষ্টি হয়।

(চ) ফজরের সালাত জামাতের সাথে আদায় করা নিশ্চিত হয়।

তাই সেহরি খাওয়ার ব্যাপারে গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। তবে সেহরির খাবার হালকা হওয়া ভাল। এমন বেশি খাওয়া উচিত নয় যাতে দিনের বেলা কাজ-কর্মে অলসতা দেখা দেয়। যে কোন হালাল খাবার সেহরিতে গ্রহণ করা যায়। রাসূলে করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামবলেছেন :—

نعم سحور المؤمن التمر. (رواه أبو داود)

মোমিনের উত্তম সেহরি হল খেজুর। বর্ণনায় : আবু দাউদ। তিনি আরো বলেন :—

السحور أكلة بركة فلا تدعوه، ولو أن بجرع أحدكم جرعة من ماء، فإن الله وملائكته يصلون على المتسحرين. (رواه أحمد)

সেহরি হল একটি বরকতময় খাদ্য, তাই তা তোমরা ছেড়ে দিয়ো না। এক ঢোক পানি দ্বারা হলেও সেহরি করে নাও। কেননা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ও ফেরেশ্তাগণ সেহরিতে অংশ গ্রহণকারীদের জন্য দোয়া করে থাকেন। বর্ণনায় : আহমদ

দেরি করে সেহরি খাওয়া :


সেহরির অর্থ হল যা কিছু রাতের শেষ ভাগে খাওয়া হয়। সুন্নত হল দেরি করে সেহরি খাওয়া। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামসর্বদা শেষ সময়ে সেহরি খেতেন। ফজরের ওয়াক্ত আসার পূর্বক্ষণে সেহরি খেলে সিয়াম পালন অধিকতর সহজ হয়, ফজরের সালাত আদায় করার জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে কষ্ট করতে হয় না। সতর্কতা অবলম্বন করে ফজরের অনেক আগে সেহরি শেষ করা সুন্নত নয়। সেহরি সময় শেষ হলো কি-না তা জানবেন নিজের চোখে পূর্বাকাশের শুভ্রতা দেখে, অথবা ক্যালেন্ডার ও ঘড়ির মাধ্যমে সূক্ষ্ম হিসাব করে কিংবা নির্ভরযোগ্য মুয়াজ্জিনের ফজরের আজান শুনে।

সেহরির সময়কে সুযোগ মনে করে কাজে লাগানো :

সেহরির সময় অত্যন্ত মর্যাদা-পূর্ণ একটি সময়। এ সময় জাগ্রত হওয়ার কারণে আল্লাহ যা পছন্দ করেন এমন অনেক ভাল কাজ করা যায়। যেমন তিনি মোমিনদের প্রশংসায় বলেছেন :—

وَبِالْأَسْحَارِ هُمْ يَسْتَغْفِرُونَ. (الذاريات :18)

তারা শেষ রাতে (সেহরির সময়) ক্ষমা প্রার্থনা করে। সূরা জারিয়াত : ১৮

তিনি এ আয়াতে ঐ সকল জান্নাতবাসী মানুষদের প্রশংসা করেছেন যারা শেষ রাতে দোয়া-প্রার্থনা করে ও ক্ষমা চায় আল্লাহর কাছে। এর মাধ্যমে তারা যে জান্নাত লাভ করবে এর সুসংবাদও দেয়া হয়েছে। সেহরির সময়টা এমন একটি সময় যখন আল্লাহর রাব্বুল আলামিন দুনিয়ার নিকটতম আকাশে অবতরণ করেন। যে সকল মানুষ তখন তার প্রতি আগ্রহী হয়ে সালাত ও দোয়া-প্রার্থনা করে তিনি তাদের প্রতি অনুগ্রহ করেন। যেমন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামবলেছেন :—

ينـزل ربنا تبارك وتعالى كل ليلة إلى السماء الدنيا حين بيقى ثلث الليل الآخر، فيقول: من يدعوني فأستجيب له، من يسألني فأعطيه، من يستغفرني فأغفرله. رواه البخاري ومسلم

আমাদের মহান প্রতিপালক আল্লাহ রাব্বুল আলামিন প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন। তখন মানুষদের উদ্দেশ্য করে বলেন, যে আমার কাছে দোয়া করবে আমি তাতে সাড়া দেব, যে আমার কাছে চাইবে আমি তাকে দান করব ও যে আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে আমি তাকে ক্ষমা করব। বর্ণনায় : বোখারি ও মুসলিম

অতএব সেহরির সময় হল আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দার প্রতি দান-প্রতিদানের সময়। এ সময় সে ব্যক্তিই তার সামনে হাজির হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেন যিনি আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব ও মহত্ত্ব ভালভাবে অনুধাবন করতে পেরেছেন, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য নিজের নিয়তকে বিশুদ্ধ করেছেন। অনেক মানুষ এমন আছেন যারা এ সময় জাগ্রত হয়ে খাওয়া-দাওয়াসহ অনেক কাজ সমাধা করেন কিন্তু দোয়া- প্রার্থনা. ইস্তিগফার, তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করার সুযোগ করে নিতে পারেন না শেষ রাতের সালাত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামবলেন :—

يا أيها الناس أفشوا السلام، وأطعموا الطعام، وصلوا الأرحام، وصلوا بالليل والناس نيام، تدخلوا الجنة بسلام. رواه الترمذي

হে মানবসকল ! তোমরা সালামের প্রচলন কর। অন্যকে খাবার দাও। আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখ আর রাতে যখন মানুষ ঘুমিয়ে থাকে তখন তোমরা সালাত আদায় কর তাহলে শান্তির সাথে জান্নাতে যেতে পারবে। বর্ণনায় : তিরমিজি

JINNN Their Powers

2:23 PM Edit This 0 Comments »
Allaah has given the jinn powers that he has not given to humans. Allaah has told us about some of their powers, such as the ability to move and travel quickly. An 'ifreet from among the jinn guaranteed to the Prophet Sulaymaan (peace be upon him) that he would bring the throne of the Queen of Yemen to Jerusalem in a moment faster than that needed for a man to get up from where he was sitting. Allaah says (interpretation of the meaning):

"An 'ifreet (strong one) from the jinns said: 'I will bring it [her throne] to you before you rise from your place (council). And verily, I am indeed strong, and trustworthy for such work.' One with whom was knowledge of the Scripture said: 'I will bring it to you within the twinkling of an eye!' - then when Sulaymaan saw it placed before him, he said, 'This is by the Grace of my Lord...'" [al-Naml 27:39-40].



We all have a Jinn Companion

2:13 PM Edit This 0 Comments »
Every individual among the sons of Aadam has a jinn who has been appointed to be his constant companion (qareen). Ibn Mas'ood said: "The Messenger of Allaah (peace and blessings of Allaah be upon him) said, 'There is not one of you who does not have a jinn appointed to be his constant companion.' They said, 'And you too, O Messenger of Allaah?' He said, 'Me too, but Allaah has helped me and he has submitted, so that he only helps me to do good.'" (Reported by Muslim, 2814). Al-Nawawi said in his commentary on Muslim (17/175): "'He has submitted' ... he became a believing Muslim. This is the apparent meaning. Al-Qaadi said: Know that the ummah is agreed upon the fact that the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) was protected from Shaytaan, physically and mentally, and with regard to his speech. This hadeeth contains a reference to the warning against the fitnah (temptation, trial) and whispers of the qareen (constant companion from among the jinn). We know that he is with us so we should beware of him as much as possible."

knw abt jinn

2:07 PM Edit This 0 Comments »
Types of Jinns:
Allaah has created different types of jinn. Among them are some who can take on different forms, such as dogs and snakes; some who are like flying winds with wings; and some who can travel and rest. Abu Tha'labah al-Khushani said: "The Messenger of Allaah (peace and blessings of Allaah be upon him) said: 'The jinn are of three types: a types that has wings, and they fly through the air; a type that looks like snakes and dogs; and a type that stops for a rest then resumes its journey."

(Reported by al-Tahhaawi in Mushkil al-Athaar, 4/95, and by al-Tabaraani in al-Kabeer, 22/214. Shaykh al-Albaani said in al-Mishkaat (2/1206, no. 4148): al-Tahhaawi and Abu'l-Shaykh reported it with a saheeh isnaad).




Do Jinns Exist?





The Qur'aan and Sunnah indicate that the jinn exist, and that there is a purpose for their existence in this life, which is to worship Allaah Alone, with no partner or associate. Allaah says (interpretation of the meanings):

"And I (Allaah) created not the jinns and humans, except they should worship Me (Alone)." [al-Dhaariyaat 51:56].

"O assembly of jinns and mankind! Did there not come to you Messengers from amongst you, reciting unto you My Verses...?" [al-An'aam 6:130]

The world of the jinn is an independent and separate world, with its own distinct nature and features that are hidden from the world of humans. Jinns and humans have some things in common, such as the possession of understanding and the choice between the way of good and the way of evil. The word jinn comes from an Arabic root meaning "hidden from sight". Allaah says (interpretation of the meaning):

"...Verily he [Shaytaan] and his qabeeluhu [his soldiers from the jinn or his tribe] see you from where you cannot see them..." [al-A'raaf 7:27]

Allaah has told us in His Book the essence from which the jinn were created. He says (interpretation of the meaning):

"And the jinn, We created aforetime from the smokeless flame o fire." [al-Hijr 15:27]

"And the jinns did He create from a smokeless flame of fire." [al-Rahmaan 55:15].

According to a hadeeth narrated by 'Aa'ishah, the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) said: "The angels were created from light, the jinn were created from fire, and Aadam was created from that which has been described to you." (Reported by Muslim, 5314).

Aurora in Alaska forms the Beautiful Name of Allah

2:01 PM Edit This 0 Comments »
Date: October 29, 2003 Place: Gunsight Mountains, 110 miles north of Ancourage, Alaska.




Allah's Name Found on Whistler Mountains in British Columbia, Canada

1:51 PM Edit This 0 Comments »
Date: August 17, 2003 Photo Credits: Noor, Rifat, Tanveer, Ihsan and Taslim.

Description: A group of young Muslims from Toronto went to British Columbia on a Dawah trip. Before returning to Toronto, they visited the Whistler mountains which are over 6,000 feet high. From the top, they discovered the name of Allah visible over another mountain. They quickly bought an one time use camera from the gift shop and took these wonderful pictures.






A tree in the posture of Islamic prayer

1:45 PM Edit This 0 Comments »


Tree doing ruku facing Kabah! In a forest near Sidney, the bottom half of a tree trunk is bowed in such a way that it resembles a person in a posture of Islamic prayer - the 'Ruku'.

Looking closer we see the 'hands' of the 'tree man' are resting on his knees. The most amazing thing is that the 'tree man' is directly facing the Holy Kaaba in Mecca, which is the direction Muslims face when performing their daily prayers.


Place: Near Sidney, Australia

Miracle in your own Hands

1:40 PM Edit This 0 Comments »



If we contemplate in the shape of the fingers at the back of the right hand we will find out amazingly, that it draws the name of Allah.

Allah's Name Written by the Clouds

1:18 PM Edit This 0 Comments »